কিভাবে ইয়ারবাড পরিষ্কার করবেন।

Earbuds Cleaning Tips: দামি ইয়ারবাডস ব্যবহার করলেই হবে না, জানতে হবে পরিষ্কার রাখার কিছু সহজ উপায়

নিয়মিত পরিস্কার না করলে কিছুদিন পর তা নষ্টও হয়ে যেতে পারে। ভাবছেন তো, ইয়ারবাডের মতো অত শৌখিন একটি জিনিস কীভাবে পরিস্কার করবেন? চিন্তা নেই এখানে আপনাকে এমন কিছু টিপস জানানো হবে যার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আপনার শখের ইয়ারবাড গুলিকে যত্নে রাখতে পারবেন।

আপনার শখের ইয়ারবাড দিয়ে সবসময় গান শোনেন, সিনেমা দেখেন। কিন্তু কিছু সময় পরে আপনার ইয়ারবাড থেকে ঠিকঠাক সাউন্ড আসে না। ভাবেন খারাপ হয়ে গিয়েছে বা হয়তো স্পিকারে সমস্যা। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন, অনেক সময় এগুলির মধ্যে ময়লা জমে যায়। ফলে ঠিক করে সাউন্ড আসে না। নিয়মিত পরিস্কার না করলে কিছুদিন পর তা নষ্টও হয়ে যেতে পারে।

কটন বাড ব্যবহার করুন: কটন বাড দিয়ে খুব সুন্দর পরিস্কার করা যায়। ইয়ারবাডগুলি পরিষ্কার করার সময় খুব সচেতন থাকতে হবে। কোনও রকম অসাবধানতা বাডগুলিকে খারাপ করে দিতে পারে। তাই সঠিকভাবে পরিষ্কার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনও কাপড় দিয়ে না ঘষে আলতো হাতে কটন বাড দিয়ে পরিস্কার করতে হবে। কটন বাড দিয়ে ইয়ারবাড পরিষ্কার করলে কোনও ক্ষতি হবে না কারণ এগুলি খুবই নরম। ইয়ারবাডগুলি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে ইয়ারবাড মুছুন: কিছুদিন ব্যবহারের পর পরই অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে ইয়ারবাড মুছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি কেবল বাডগুলিকে জীবাণুমুক্ত করবে না, সঙ্গে সেগুলিকে পরিস্কারও রাখবে। যে কোনও ওষুধের দোকানে বা মুদি দোকানে আপনি অ্যালকোহল ওয়াইপ পেয়ে যাবেন।

একটি নরম কাপড় ব্যবহার করুন: ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সময় মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করা উচিত। এটি তাদের স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করবে। যেকোনও কাপর দিয়ে মুছবেন না। এতে ইয়ারবাডে দাগ পরে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

ইয়ারবাড সবসময় চার্জিং কেসে রাখুন: চার্জিং কেস আপনার ইয়ারবাডগুলিকে ময়লা, জল এবং অন্যান্য অনেক কিছু থেকে রক্ষা করে। তাই চেষ্টা করবেন যেখানে সেখানে না রেখে গান শোনার পরে চার্জিং কেসে রাখার। তবে ইয়ারবাডগুলি রাখার আগে চার্জিং কেসটিও পরিষ্কার কি-না তা নিশ্চিত করে নেবেন। তেমন হলে কেসটিকেও একবার মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে মুছে নেবেন।

পরিষ্কারের সরঞ্জাম ব্যবহার করুন: আপনি অনলাইনে ইয়ারবাড পরিস্কারের জন্য একটি ক্লিনিং টুল কিনতে পারেন। যা একটি নরম ব্রিসল ব্রাশ, ফাইন ক্লিনিং সোয়াব, নরম ব্রাশ, ক্লিনিং স্প্রে বোতল এবং অ্যান্টি-স্ট্যাটিক ক্লিনিং ওয়াইপস সহ আসে।

লিকুইড ক্লিনার ব্যবহার করবেন না: ইয়ারবাড পরিষ্কার করার জন্য আপনার কখনই লিকুইড ক্লিনার ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ লিকুইড ক্লিনার বাডের ভিতরে চলে যেতে পারে। লিকুইড ক্লিনার একবার ইয়ারবাডের ভিতরে চলে গেলে সেগুলি একেবারের জন্য খারাপ হয়ে যেতে পারে। তাই খুব সচেতন থাকতে হবে। মাথায় রাখা প্রয়োজন, কোনও রকম কোনও লিকুইড জিনিস দিয়ে ইয়ারবাড পরিস্কার করবেন না। এই টিপসগুলি মেনে চললেই একেবারে নতুনের মতো থাকবে আপনার ইয়ারবাড।

Leave a Reply

Shopping Cart (0)

No products in the cart. No products in the cart.

Main Menu